
ডেস্ক নিউজঃ বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি আবারও বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এ নিয়ে চলতি বর্ষা মৌসুমে সপ্তমবারের মতো পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করলো। তিস্তার পানি বাড়ার ফলে রংপুরের গঙ্গাচড়াও কাউনিয়া উপজেলার চর ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
এর আগে পানি বৃদ্ধির ফলে গঙ্গচড়া উপজেলার নোহারী, লক্ষীটারি, মর্নেয়া ইউনিয়নে নদী ভাঙন দেখা দিয়েছিল। ভাঙনে অর্ধশত বসতভিটা, আবাদি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে।
বুধবার বেলা ৩টায় তিস্তা নদীর ডালিয়া ও কাউনিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, বুধবার বেলা ৩টায় তিস্তা নদীর ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
এ আগে সকাল ৯টায় বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হয়েছে। ওই পয়েন্টে বিপৎসীমা ধরা হয় ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার। অপরদিকে, বেলা ৩টায় কাউনিয়া পয়েন্টে পানি প্রবাহ ছিল ২৯ দশমিক ৮ সেন্টিমিটারে। ওই পয়েন্টে বিপৎসীমা ধরা হয় ২৯ দশমিক ১ সেন্টিমিটার। ওই পয়েন্টে ৯ ঘণ্টায় ১৮ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হয়েছে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় রংপুরসহ তিস্তা নদীর অববাহিকার ৫ জেলার কিছু স্থানে পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে এবং নদী সংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও প্লাবিত হতে পারে।
এদিকে, গঙ্গাচড়া উপজেলার নোহালী ইউনিয়নের কাচারীপাড়া গ্রামে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা।
রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার রাত থেকেই তিস্তার পানি বাড়তে থাকে। এতে নদী সংলগ্ন নিচু এলাকা প্লাবিত হতে পারে। নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদী বন্যা দেখা দিতে পারে।
