বুধবার (১৯ আগস্ট) রাতে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবি)-এর পক্ষ থেকে লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ সরবরাহের এই চিত্র জানানো হয়।
পাওয়ার গ্রিডের অঞ্চলভিত্তিক পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, ময়মনসিংহ জোনে বিদ্যুতের ঘাটতি ছিল সবচেয়ে প্রকট। সেখানে ১ হাজার ৪২১ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সর্বোচ্চ ২৫৬ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং করতে হয়েছে। অপরদিকে সবচেয়ে বেশি চাহিদা থাকা ঢাকা অঞ্চলে ৬ হাজার ১৮৪ মেগাওয়াটের বিপরীতে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ ছিল ১৫৪ মেগাওয়াট।
অন্যান্য অঞ্চলের মধ্যে কুমিল্লা জোনে ১ হাজার ৪৫৫ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ৫০ মেগাওয়াট, খুলনা জোনে ১ হাজার ৯২৪ মেগাওয়াটের বিপরীতে ৪৯ মেগাওয়াট এবং রাজশাহী জোনে ১ হাজার ৫৩৩ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ২০ মেগাওয়াট লোডশেডিং রেকর্ড করা হয়েছে।
তবে পিক আওয়ারে চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল ও রংপুর অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিস্থিতি বেশ সন্তোষজনক ছিল। এ সময়ে চট্টগ্রাম জোনে ১ হাজার ৫১২ মেগাওয়াট, সিলেটে ৬৬৮ মেগাওয়াট, বরিশালে ৪৮১ মেগাওয়াট এবং রংপুর জোনে ১ হাজার ৩৩ মেগাওয়াট চাহিদার পুরোটাই সরবরাহ করা সম্ভব হয়, ফলে এই চার অঞ্চলে কোনো ধরনের লোডশেডিংয়ের প্রয়োজন পড়েনি।